জানাতে চাই এর এই পোষ্টের মাধ্যমে আপনারা আপনাদের ভোটার আইডি কার্ডের যে কোনো সমস্যা অথবা কোনো ভুল থাকলে কিভাবে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন ঘরে বসেই করতে পারবেন সেই বিসয়ে স্টেপ বাই স্টেপ আলোচনা করবো।
যদি আপনার এন আইডি কার্ড অথবা জাতীয় পরিচয় পত্রে নিজের নামের বানানে কোনো ভুল থাকে অথবা সংশোধন করার প্রয়োজন হয় বা পিতা মাতার নামের বানানে কোনো ভুল থাকে বা ঠিকানা পরিবর্তন করার প্রয়োজন হয়।
তাহলে আমার এই পোস্টটি শুধুমাত্র আপনাদের জন্য কারন আমি আপনদেরকে দেখাবো যে কিভাবে আপনার হাতে থাকা স্মার্ট ফোন দিয়ে কিভাবে ঘরে বসে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করবেন । সেই সাথে আমি আপনাদেরকে জানাব আবেদন পত্রের সাথে কি কি কাগজপত্র দাখিল করতে হবে যেন আপনার আবেদন টি কোন ভাবেই বাতিল না হয়।
আর কথা না বারিয়ে যাবো মুল বিসয়ে তবে মুল বিষয়ে যাবার আগে একটি কথা বলি এই রকম প্রয়োজনীয় নতুন আর্টিকেল নিয়মিত পাবলিশ করা হয়ে থাকে জানতে চাই ডট কম এ তাই নিয়মিত ভিসিট করার অনুরধ রইলো।
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কি কি লাগে?
অনলাইনে ঘরে বসে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র ভুল ঠিক করতে বেশ কিছু কাগজ পত্র দাখিল করতে হয়। এর মধ্যে উল্লেখ যোগ্য ডুকুমেন্টস নিচে তুলে ধরা হলো।
মনে রাখবেন যতো বেশি ডুকুমেন্টস দিতে পারবেন ততো দ্রুত এবং সজেই আপনার ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে পারবেন।
যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লাগবে
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন এর ধরন অনুযায়ী নির্দিষ্ট প্রমাণপত্র লাগবে যেমন –
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে সর্বনিম্ন ৳ ২৩০ থেকে ক্যাটাগরি ভেদে সর্বোচ্চ ৫,৭৫০ টাকা পর্যন্ত লাগে। তবে এই ফি আপনি কী ধরনের তথ্য সংশোধন করছেন ও কত বার আবেদন করছেন তার ওপর নির্ভর করে।
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন এর ফি ও ক্যাটাগরি
সাধারণ তথ্য সংশোধন: সাধারণ তথ্য যেমন বানান ভুল ভ্যাটসহ মোট ২৩০ টাকা লাগে।
পরবর্তী সংশোধন: দ্বিতীয়বার সংশোধনের জন্য ৩৩৫ টাকা
এরপর থেকে পরবর্তী প্রতিবারের জন্য ৫৭৫ টাকা ফি লাগে।
গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন: বয়স বা নাম পরিবর্তনের মতো বড় সংশোধনের ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম অনুযায়ী ৳ ৫,০০০ থেকে ৳ ৫,৭৫০ টাকা লাগতে পারে।
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন এর ফি জমা দিতে হয়। নির্দিষ্ট তথ্যের সঠিক ফি জানতে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন এর অফিশিয়াল পোর্টাল এ ঘুরে আসতে পারেন।
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কতদিন লাগবে?
অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে হলে সাধারণত ৭ থেকে ৪৫ দিন অথবা কিছু ক্ষেত্রে ১ মাস থেকে ২ মাস সময় লাগতে পারে।
তবে মনে রাখবেন, আবেদনের ধরন ও আপনার দেওয়া কাগজপত্রের সঠিকতার ওপর নির্ভর করে এই সময় কম-বেশি হতে পারে।
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন এর সময় নির্ভর করার কারণ সমুহ
সাধারণ সংশোধন: সাধারণ পরিবর্তনের জন্য ১৫ দিন থেকে ১ মাস সময় লাগে।
জটিল সংশোধন: নাম, জন্মতারিখ বা পিতা-মাতার নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কাগজ পত্র যাচাই-বাছাই করতে ৪৫ দিন বা বেশি সময় লাগতে পারে।
কাগজপত্র: সঠিক সার্টিফিকেট, জন্ম নিবন্ধন জমা দিলে কাজ দ্রুত শেষ হয়।
তবে ২ এর অধিক কাগজ পত্র দাখিল করতে পারলে খুব দ্রুত কাজ শেষ হয়
অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করার নিয়ম
আপনারা চাইলে এই কাজ টি কম্পিউটার অথবা মোবাইলে ও করতে পারেন। আমি সাজেস্ট করবো একটু কস্ট হলেও এই কাজ টি আপনি মোবাইলে করুন। কেন না আমাদের বেসির ভাগ মানুসের কম্পিউটার নেই।
তাহলে চলুন স্টেপ বাই স্টেপ শুরু করি কিভাবে অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করার নিয়ম ।
NID Wallet অ্যাপ ডাউনলোডের বিবরণ
প্রথমে আপনাকে গুগল প্লে স্টোর এ যেতে হবে এবং সার্চ বক্সে NID Wallet লিখে এন্টার করুন ।
এবং অ্যাপ টি আপনার ফোন ইন্সটল করে ফেলুন। নিচে দেখুন
এখন আমরা আমাদের ফোনের হোম এ চলে যাবো। আপাতঅত NID Wallet অ্যাপ এ আমাদের কাজ নেই এটি একটু পরেই আমাদের লাগবে যার কারনে আগে থেকেই ইন্সটল করে রাখলাম ।
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন অনলাইন আবেদন
এবার যেকোনো একটি ব্রাউজার ওপেন করবো । আমি আমার ফোনে Google Chrome ওপেন করলাম এবং সার্চ বক্স এ গিয়ে services.nidw.gov.bd লিকে সার্চ করবো সবার উপর এ যে services.nidw.gov.bd ওয়েব সাইট এর রেজাল্ট আসবে এটাতে ক্লিক করে প্রবেস করতে হবে ।
এবার ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের জন্য Services NIDWপোর্টালে একাউন্ট রেজিস্টার করে লগইন করতে হবে এজন্য ওয়েব সাইট এ প্রবেস করে নিচ থেকে একাউন্ট নেই অপশন থেকে রেজিস্টার করুনএ ক্লিক করতে হবে, নিচে স্ক্রিনশর্ট দেখুন।
এবার আপনার এন আইডি কার্ড এ থাকা নাম্বার , জন্ম তারিক ও দেখানো জলছাপ এর মত লেখা হুবহু নিচের বক্স এ দিয়ে সাবমিট এ ক্লিক করতে হবে। নিচে দেখুন
এখন আপনার আইডি কার্ড এ থাকা বর্তমান ঠিকানা ও স্থায়ি ঠিকানা দিতে হবে নিচে দেখুন ।
আমার বর্তমান ঠিকানা ও স্থায়ি ঠিকনা আমি দিয়ে নিয়েছি এবার নিচে থাকা পরবর্তী বোতামে ক্লিক করবো ।
এবার আপনার সামনে একটি মোবাইল নাম্বার দেখাবে যদি এই নাম্বার টি সচল থাকে তাহলে বার্তা পাঠান এ ক্লিক করতে হবে ।
কেন নাম্বার লাগবে?
এখানে যে নাম্বার দিবেন সেই মোবাইল এ একটি কোড যাবে যা পরবর্তী তে এখানে প্রবেস করাতে হবে।
আর যদি এই নাম্বার টি আপনার কাছে না থাকে তাহলে মোবাইল পরিবর্তন এ ক্লিক করতে হবে । আমার যেহেতু এই নাম্বার টি কাছে নেই তাই নতুন করে আরেকটি নাম্বার দিব তাই মোবাইল পরিবর্তন এ ক্লিক করলাম।
এখন একটি মোবাইল নাম্বার দিয়ে বার্তা পাঠান এই বাটনে ক্লিক করে দিব । নিচে দেখুন
এখন আমি যে মোবাইল নাম্বার এখানে দিয়েছি সেই নাম্বারে একটি ৬ সংখ্যার ভেরিফিকেসন কোড যাবে সেই কোড টি এখানে দিতে হবে । আমি ভেরিফিকেসন কোড টি দিয়ে বহাল বোতামে ক্লিক করবো।
এবার আমাদের সামনে এই রকম একটি ইন্টার ফেস আসবে এখানে আমাদের NID Wallet অ্যাপ টি ডাউনলোড করতে বলছে। যেহেতু সুরুতেই আমরা NID Wallet অ্যাপ টি ইন্সটল করে রেখেছি তাই Tap to Open ক্লিক করতে হবে। আমি এখানে ক্লিক করে দিলাম। নিছে ছবি দেখুন
এখন আমাদের মাথা নারিয়ে ডানে থেকে বামে ,বামে থেকে ডানে করে ফেস ভেরিফাই করে নিতে হবে ।
ফেস ভেরিফাই সম্পূর্ণ হলে ওকে তে ক্লিক করে দিব । ওকে তে ক্লিক করার পর আমাদের কে স্বয়ংক্রিয় ভাবে পরবর্তী পেজ এ নিয়ে চলে যাবে এবং আমাদের এন আইডি কার্ড টি দেখতে পাবো । এবার আমাদের কে বলবে একটি পাস ওয়ার্ড সেট করতে । আমি এরিয়ে যাচ্ছি তে ক্লিক করছি । নিচে দেখুন
এবার আমাদের কে যে কাজ টি করতে হবে সেটি হলো প্রোফাইল এ ক্লিক করতে হবে । নিচে দেখুন
এবার আমাদের প্রোফাইল থেকে এডিট অপশন এ যেতে হবে। আমি এডিট এ ক্লিক করে দিলাম। নিচে ছবি দেখুন বুঝতে অসুবিধা হলে ।
এবার আমাদের সামনে কিছু লেখা দেখাবে কিভাবে ফি দিবেন তার বিষয়ে আমরা সরাসরি বহাল বোতামে ক্লিক করে দিব।
আমরা অনেকে মনে করি ভোটার আইডি কার্ড বয়স সংশোধন জন্য একবার আবেদন আবার নাম সংশোধন এর জন্য আরেকটি আবেদন করতে হয় কিন্তু না আমরা একটি মাত্র আবেদন করেই আমাদের নাম , বয়স, পিতা মাতার নাম ইত্যাদি পরিবর্তন করতে পারবো।
তথ্য পরিবর্তন: যে তথ্যটি ভুল আছে তা পরিবর্তন
এবার এডিট অপশনে এসে প্রয়োজনীয় তথ্য পরিবর্তন করুন । যে বিষয় এ পরিবর্তন করতে চান তার পাশে টিক তুলে দিবেন। আপনাদের বোঝানোর জন্য আমার ভোটার আইডি কার্ডের জন্ম তারিক চেঞ্জ করে দেখাচ্ছি। নিচে দেখুন
এবার আপনার তথ্য দেয়ার পর উপরের দিকে গিয়ে পরবর্তী বোতামে ক্লিক করে দিব। নিচে ছবি তে দেখুন।
এবার আমাদের কি কি পরিবর্তন করে ছি তা এখানে দেখাবে । ঠিক থাকলে এবার পরবর্তী বাটনে ক্লিক করে দিব।
এবারে আমদের কে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন ফি জমা দিতে হবে । আপনাদের ও ডিপজিট ০ দেখাবে ।
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন ফি জমা দেওয়া
মোবাইল ব্যাংকিং ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন ফি
বিকাশ (Bkash),
নগদ (Nagad)
রকেটের (Rocket)
অনলাইন সিস্টেম ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন ফি
নির্বাচন কমিশনের পোর্টাল বা এনআইডি উইংয়ের সিস্টেম অনুযায়ী নির্ধারিত পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহার করে ফি জমা দেওয়া যায়। এছারা সোনালী ব্যাংকসহ নির্দিষ্ট সরকারি ব্যাংকের মাধ্যমেও ফি পরিশোধ করা যায়।
আমরা যেহেতু খুব বেশি সময় নষ্ট না করে খুব সহজেই এই প্রসেস ট দেখব তাই ব্যাংক দিয়ে না সরাসরি নিজের মোবাইল থেকে বিকাশের মাধ্যমে ভোটার আইডি কার্ড এর ফি প্রদান করবো । কিভাবে এই প্রসেস টি করবেন চলুন দেখি।
বিকাশ দিয়ে ফি প্রদানের নিয়মাবলী
আমি আমার বিকাশ অ্যাপ এ চলে আসলাম আপনারা ও আপনাদের বিকাশ অ্যাপ এ চলে যাবেন এবং পে বিল এ ক্লিক করবেন । আমি আমার বিকাশ থেকে পে বিল এ ক্লিক করলাম নিচে ছবি দেখুন
পে বিল এ যাবার পরেয়ামাদের কে একটু নিচে স্ক্রল করে সরকারি ফি NID Service এ ক্লিক করব।
জাস্ট এইখানে একটা ক্লিক করবেন। ক্লিক করার পর এখান থেকে বলছে আবেদনের ধরণ নির্বাচন করুন। জাস্ট এইখানে একটা ক্লিক করবেন। ছবি তে দেখুন
click করার পর এখান থেকে এন আইডি ইনফো কারেকশন – NID Info Correction জাস্ট এইটাকে আপনি সিলেক্ট করে দিবেন। নিচে দেখুন
এখন আপনাকে এন আইডি কার্ডের number দিতে বলছে। আপনি আপনার এন আইডি কার্ডের নাম্বার দিয়ে দিবেন। আপনারা আপনাদের এন আইডি কার্ডের নাম্বার দিয়ে দিয়েছেন। এখন দেখেন নিচের দিকে একটা অপশন রয়েছে।
পে বিল করতে এগিয়ে যান। জাস্ট এখানে একটা ক্লিক করবেন।
ক্লিক করার পর এখন দেখেন এখান থেকে দেখাবে এটা যে আসলে কত টাকা লাগবে। তাহলে আমরা এখান থেকে এন আইডি যুক্ত করবো। আমার অলরেডি যুক্ত করা আছে । নিচে দেখুন
এবার নিচের দিকে একটা অপশন রয়েছে পরের ধাপে যেতে Tap করুন। নিচে দেখুন
এখানে একটা ক্লিক করবেন। ক্লিক করার পর এখান থেকে আপনাদের বিকাশের পিন নাম্বার দিতে হবে.
আপনাদের বিকাশের পিন নাম্বার দেয়া শেষ। এখন দেখেন এখানে একটা তীর চিহ্ন রয়েছে। এখানে একটা ক্লিক করে দিবেন। ক্লিক করার পর এখানে একটু ট্র্যাপ করে ধরে রাখতে হবে তাহলে আপনাদের বিল্টা পে হয়ে যাবে। নিচে দেখুন
আপনারা ট্র্যাপ করে ধরে রাখুন তারপর দেখেন বলছে যে আপনার পে বিল সফল হয়েছে। তারমানে হচ্ছে আপনার টাকাটা ডিপোজিট হয়ে গেছে।
আপনি এন আইডি কার্ডের যে আবেদনটা করতে যাচ্ছেন সেই এন আইডি কার্ডের টাকাটা অলরেডি যুক্ত হয়ে গেছে।
তাহলে চলুন আমি আপনাদেরকে সেই অ্যাপ্লিকেশনে আবার নিয়ে যাই। আমরা কিন্তু আবার আপ্লিকেশনের আগের জায়গায় চলে আসলাম তাহলে এখন আমাদের যে কাজটা করতে হবে এইযে দেখেন উপরের দিক থেকে টেনে একটু নিচের দিকে ছেড়ে দেবো। তাহলে এটা কিন্তু রিফ্রেশ হবে এবং আমাদের টাকাটা এড হয়ে যাবে।
দেখেন আমি এই যে উপরের দিক থেকে টেনে একটু নিচের দিকে ছেড়ে দেই। এখন দেখেন রেফ্রেশ হয়ে গেছে।এবারে দেখতে পাচ্ছেন আপনার সামনে ঠিক এরকম একটা ইন্টারফেস চলে আসবে। এখান থেকে বলছে যে আপনার একটি ড্রাফট আপ্লিকেশন রয়েছে। নিচে দেখুন
এখন আপনারা উপরের দিকে এডিট বাটনে একটা ক্লিক করবেন। ক্লিক করার পর আবার আগের মত বহাল বাটনে ক্লিক করবেন। ক্লিক করার পর আপনাদেরকে যে কাজটা করতে হবে এই যে যে অংশ্তুকু আপনারা পরিবর্তন করেছিলেন এইটুকুতে আবার ঠিক চিহ্নটা তুলে দিতে হবে।
আপনারা যেহেতু এই যে জন্ম তারিখের ক্ষেত্রে দিয়েছিলেন এইটা। আপনারা যদি নামের বানান অথবা অন্য কোন অংশ পরিবর্তন করার করার জন্য আবেদনটা করে থাকেন তাহলে সেই অংশটাতে ঠিক চিহ্ন তুলে দিবেন। তাহলে এখন আপনারা তুলে দিবেন তুলে দেওয়ার পর নিচে দেখুন
এখন পরবর্তী বাটনে একটা ক্লিক করে দিবেন। ক্লিক করার পর এই যে দেখেন আবার কিন্তু সেম জায়গাটা দেখাচ্ছে মানে আপনার এন আইডি কার্ডে বর্তমান ১৯৯৯ এবং এটা চেঞ্জ করে আপনারা ৯৮ দিতে চান এখন আবার পরবর্তী বাটনে ক্লিক করবেন তারপর দেখেন এখান থেকে আর জির ভিটিডি দেখাচ্ছে না এখান থেকে ২৩০ Taka দেখাচ্ছে।
তাহলে এখন এখান থেকে আবেদনের ধরণ। এখানে আবেদনের ধরণ কিন্তু একটাই রয়েছে। তারপরে আবেদনের ধরণ হচ্ছে এটা এখানে ক্লিক দিলে দেখতে পাবেন রেগুলার আরেকটা হচ্ছে স্মার্ট কার্ড। যদি আপনি স্মার্ট কার্ডের তথ্য সংশোধন করতে চান তাহলে কিন্তু এইটা আপনি সিলেক্ট করে দিবেন।
আর যদি আপনার NID Card লেমিনেটিং করা এন আইডি কার্ড হয় তাহলে হচ্ছে এটা রেগুলার ID Card।
তাহলে এইটা আপনারা রাখবেন এবার উপরের দিকে যে পরবর্তী বাটন টি আছে এই খানে একটা ক্লিক করে দিব । ক্লিক করে দেয়ার পর এখন আমাকে কাগজপত্র সংযুক্ত করতে বলছে ।
কি কি কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হবে কোন্টার জন্য সেটা কিন্তু আমি একদম এক্সপ্লেইন করে আপনাদেরকে বলে দিব । এখন আমি জাস্ট এখানে কাগজপত্র গুলো সংযুক্ত করতে হবে একটা নমুনা দিয়ে আপনাদেরকে বোজাচ্ছি।
কি কি কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হবে
এখানে সুরুতেই দেখতে পাচ্ছি এডমিট কার্ড ডিফল্ট ভাবে । এখান থেকে আমাদের কে সিলেক্ট করতে হবে যে আমরা কোন কাগজ এখানে আপলোড করবো
ধরুন আমি প্রথমে আমার এস এস সি কাগজ টাকে এড করবো তাই এস এস সি তে ক্লিক করে দিবো। সিলেক্ট করার পর আপলোড বাটনে ক্লিক করে দিবো।
ক্লিক করার পর এবার ফাইল মানেজারে চলে যাবো। এবং আমার যে ফোল্ডার এ এস এস সি সার্টিফিকেট আছে সেখানে গিয়ে সিলেক্ট করে দিব ।
এই সার্টিফিকেটের আগে থেকে একটি পি ডি এফ করে রাখবেন তাহলে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করার সময় ইউস করতে পারেন।
আপনারা যেসব কাগজপত্র সংযুক্ত করবেন আমি আবার বলছি সেগুলো আগে থেকে ছবি তুলে রাখবেন এবং প্রত্যেকটার মধ্যে ফাইল রিনেম করে রাখবেন।
আপনারা যেসব কাগজপত্র সংযুক্ত করবেন
এটা এস এস সি সার্টিফিকেট,
এটা এফিডেভিট
এটা হচ্ছে চেয়ারম্যানের প্রত্যায়ন পত্র।
এই সবগুলো আইডেন্টিফাই করে রাখবেন যাতে আপনাদের আবেদনে কোনো ভুল না হয়। এভাবে যতগুলো আপনার কাগজপত্র লাগবে সবগুলোকে আপনারা সংযুক্ত করে দিবেন।
কাগজপত্র সংযুক্ত করার নিয়ম
আমি জাস্ট আপনাদেরকে ডেমো বোঝানোর জন্য একটা সংযুক্ত করে আমি পরবর্তী বাটনে একটা ক্লিক করে দেবো।
দেখেন এখান থেকে বলছে যে সংশোধিত জন্ম তারিখটা কি কি ডকুমেন্ট আপলোড করেছি সেভাবে আপনারা যতগুলো ডকুমেন্ট সবগুলো আপলোড করবেন। শুধু আমি আপনাদের ডেমো বোঝানোর জন্য একটা করেছি।
আপনাদের যতগুলো লাগবে সবগুলো কিন্তু শো করবে শো করার পর এখন আপনি সাবমিট বাটনে একটা ক্লিক করে দিলেই কিন্তু এটা সাবমিট হয়ে যাবে। আমি সাবমিট বাটনে ক্লিক করে দিলাম।
সাবমিট বাটনে ক্লিক করার পর আপনার সামনে ঠিক এরকম একটা ইন্টারফেস চলে আসবে। এখান থেকে সবার উপরের দিকে দেখেন ডাউনলোড নামে একটা অপশন আছে।
এই ডাউনলোড বাটনে একটা ক্লিক করে দিবেন। ক্লিক করার পর আপনার সামনে একটা পিডিএফ আকারে অ্যাপ্লিকেশন আসবে। আই মিন আপনি অনলাইনে যে এতক্ষণ অ্যাপ্লিকেশনটা ফুলফিল করেছেন এটাই আসবে।
এটাকে হচ্ছে আপনি আপনার মোবাইলে অথবা কম্পিউটারে সেভ করার পর কোনো একটা কম্পিউটারের দোকান থেকে নিয়ে গিয়ে এটাকে প্রিন্ট করবেন।
কেন ডাউনলোড দিবেন?
কারন এটা আপনার পরবর্তীতে প্রয়োজন হবে। আমি এখন আপনাদেরকে বলি নিচের দিকে দেখেন একটা অপশন আছে যে আপনার একটি অ্যাপ্লিকেশন পেন্ডিং রয়েছে।
এর মাএ হচ্ছে আপনি যে আবেদনটা এখন করেছেন সেটি এখন পেন্ডিং অবস্থায় রয়েছে। এই আবেদন টি স্বয়ংক্রিয় কম্পিউটারাইজ পদ্ধতিতে নিয়ে কারেকশন করা হইনাই ।
সেই ক্ষেত্রে নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তারা এটাকে পেন্ডিং এই দেখাবে এবং পরবর্তীতে আপনার এই আবেদন পত্রের সাথে আপনি যেসব কাগজ পত্র আপলোড করেছেন
সেগুলর সাথে আপনার এন আইডি র যে বিসয়টাকে সংশোধন করতে চাচ্ছেন সেটা সাথে আপনার দাবি করা যুক্তিযুক্ত হলে এটি নির্বাচন অফিসার রা সংশোধন করে দিবে।
এরপরে আপনাকে একটি কনফার্মেশন এস এম এস দেওয়া হবে। যেখানে বলা হবে যে আপনার এন আইডি কার্ড টি সংশোধন করা হয়ে গেছে। আপনি এতো তারিকে উক্ত ইউনিয়ন পরিশধে এসে কালেক্ট করুন।
আর যখন আইডি কার্ড কালেক্ট করতে যাবেন তখন অবশ্যই এখন যে আবেদন টি করলেন তার একটি পি ডি এফ কে প্রিন্ট করে এবং আপনার পুরনো কার্ড দি সংগে করে নিয়ে যাবেন ।
আর যদি নরমাল আইডি কার্ড হয় তাহলে আপনি আবার সেম ওয়েব সাইট থেকে পি ডি এফ ডাউনলোড দিতে পারবেন।
এর পর ২০ থকে ৫০ টাকা দিয়ে যে কোন স্টুডিও থেকে লেমনেটিং করে নিবেন।
FAQ
ভোটার আইডি কার্ড নাম সংশোধন করতে কত টাকা লাগে
২৩০ টাকা থেকে ৫৭৫ টাকা
ভোটার আইডি কার্ড নাম সংশোধন করতে কত দিন লাগে
৭ থেকে ৪৫ পর্যন্ত লাগে
ভোটার আইডি কার্ড নাম সংশোধন করতে কি কি লাগে
এসএসসি সনদ ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন সনদ, এবং পাসপোর্ট বা নাগরিকত্ব সনদ প্রয়োজন হয়
ভোটার আইডি কার্ড নাম সংশোধন করার নিয়ম
ভোটার কার্ড সংশোধন করতে অনলাইন আবেদন করতে হবে। প্রধান ধাপগুলো হলো: অনলাইন পোর্টাল ভিজিট, প্রয়োজনীয় কাগজ জমা দেওয়া এবং ফি প্রদান করা ।
শেষ কথা
যদি আমাদের এই অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন ঘরে বসেই | Nid Card Correction Online BD 2026 আর্টিকেল টি আপনার একটু হলেও উপকারে আসে তাহলেই কেবল জানতে চাই ডট কম সার্থক । আপনাদের বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করুন ।আপনার মতামত কমেন্ট করে জানান এর পরে কোন বিষয় নিয়ে আর্টিকেল পেতে চান।
Faredul Ali
আমি একজন টেকনলজি প্রেমি। বিভিন্ন টেক ও অনলাইন ইনকাম সহ শিক্ষামূলক পোস্ট করে থাকি।